حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ السَّعْدِيُّ، حَدَّثَنَا بَقِيَّةُ بْنُ الْوَلِيدِ، عَنْ بَحِيرِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ خَالِدِ بْنِ مَعْدَانَ، عَنْ جُبَيْرِ بْنِ نُفَيْرٍ، عَنِ النَّوَّاسِ بْنِ سَمْعَانَ الْكِلاَبِيِّ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِنَّ اللَّهَ ضَرَبَ مَثَلاً صِرَاطًا مُسْتَقِيمًا عَلَى كَنَفَىِ الصِّرَاطِ دَارَانِ لَهُمَا أَبْوَابٌ مُفَتَّحَةٌ عَلَى الأَبْوَابِ سُتُورٌ وَدَاعٍ يَدْعُو عَلَى رَأْسِ الصِّرَاطِ وَدَاعٍ يَدْعُو فَوْقَهُ: (وَاللَّهُ يَدْعُو إِلَى دَارِ السَّلاَمِ وَيَهْدِي مَنْ يَشَاءُ إِلَى صِرَاطٍ مُسْتَقِيمٍ) وَالأَبْوَابُ الَّتِي عَلَى كَنَفَىِ الصِّرَاطِ حُدُودُ اللَّهِ فَلاَ يَقَعُ أَحَدٌ فِي حُدُودِ اللَّهِ حَتَّى يُكْشَفَ السِّتْرُ وَالَّذِي يَدْعُو مِنْ فَوْقِهِ وَاعِظُ رَبِّهِ " . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ . قَالَ سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ يَقُولُ سَمِعْتُ زَكَرِيَّا بْنَ عَدِيٍّ يَقُولُ قَالَ أَبُو إِسْحَاقَ الْفَزَارِيُّ خُذُوا عَنْ بَقِيَّةَ مَا حَدَّثَكُمْ عَنِ الثِّقَاتِ وَلاَ تَأْخُذُوا عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ عَيَّاشٍ مَا حَدَّثَكُمْ عَنِ الثِّقَاتِ وَلاَ غَيْرِ الثِّقَاتِ .
বর্ণনাকারী: নাও্ওয়াস ইবনু সাম্‘আন (রাঃ)
২৮৫৯. আলী ইবন হুজর আস-সা’দী (রহঃ) ..... নাওয়াস ইবন সিমআন কিলাবী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ্ তা’আলা সীরাতে মুস্তাকিমের উদাহরণ দিয়েছেন (এরূপ) পথের দুই কিনারায় দুটো প্রাচীর। দুই প্রাচীরের মাঝে অনেকগুলো খোলা দরজা। দরজাগুলোতে পর্দা ঝুলানো। পথের মাথায় দাঁড়িয়ে একজন আহবায়ক ডাকছেন। পথের উপর থেকে ডাকছেন আরেকজন আহবায়ক। আল্লাহ্ তা’আলা (মানুষকে) শান্তির আবাস (জান্নাত)-এর দিকে ডাকছেন এবং তিনি যাকে ইচ্ছা করেন তাকে সিরাতে মুস্তাকিমের দিকে হিদায়ত করেন। পথের দু’পাশের দরজাগুলো হল আল্লাহ্ নির্ধারিত সীমাসমূহ। কেউ আল্লাহর সীমা লংঘন করলে এতে পর্দা সরে যায়। উপর থেকে যিনি ডাকছেন তিনি হলেন পরওয়ারদিগারের পক্ষ থেকে উপদেশ দাতা। সহীহ, মিশকাত ১৯১, ১৯২, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৮৫৯ [আল মাদানী প্রকাশনী] হাদীসটি হাসান-গারীব। ইমাম তিরমিযী (রহঃ) বলেন: যাকারিয়া ইবন ’আদী সূত্রে আবদুল্লাহ্ ইবন আবদুর রহমানকে বলতে শুনেছি যে, আবূ ইসহাক আল-ফাযারী (রহঃ) বলেছেন, ছিকাহ রাবীদের বরাতে যে সব হাদীস বাকিয়্যা বর্ণনা করেন তা গ্রহণ কর। আর ইসমাঈল ইবন আয়্যাশ ছিকাহ বা গায়র ছিকাহ যাদের বরাতেই হাদীস বর্ণনা করুন না কেন কোনটাই গ্রহণ করবে না।
