حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنِ الْعَلاَءِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم خَرَجَ عَلَى أُبَىِّ بْنِ كَعْبٍ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " يَا أُبَىُّ " . وَهُوَ يُصَلِّي فَالْتَفَتَ أُبَىٌّ وَلَمْ يُجِبْهُ وَصَلَّى أُبَىٌّ فَخَفَّفَ ثُمَّ انْصَرَفَ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ السَّلاَمُ عَلَيْكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ . فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " وَعَلَيْكَ السَّلاَمُ مَا مَنَعَكَ يَا أُبَىُّ أَنْ تُجِيبَنِي إِذْ دَعَوْتُكَ " . فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي كُنْتُ فِي الصَّلاَةِ . قَالَ " أَفَلَمْ تَجِدْ فِيمَا أَوْحَى اللَّهُ إِلَىَّ أَنِ (استَجِيبُوا لِلَّهِ وَلِلرَّسُولِ إِذَا دَعَاكُمْ لِمَا يُحْيِيكُمْ ) " . قَالَ بَلَى وَلاَ أَعُودُ إِنْ شَاءَ اللَّهُ . قَالَ " تُحِبُّ أَنْ أُعَلِّمَكَ سُورَةً لَمْ يَنْزِلْ فِي التَّوْرَاةِ وَلاَ فِي الإِنْجِيلِ وَلاَ فِي الزَّبُورِ وَلاَ فِي الْفُرْقَانِ مِثْلُهَا " . قَالَ نَعَمْ يَا رَسُولَ اللَّهِ . قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " كَيْفَ تَقْرَأُ فِي الصَّلاَةِ " . قَالَ فَقَرَأَ أُمَّ الْقُرْآنِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ مَا أُنْزِلَتْ فِي التَّوْرَاةِ وَلاَ فِي الإِنْجِيلِ وَلاَ فِي الزَّبُورِ وَلاَ فِي الْفُرْقَانِ مِثْلُهَا وَإِنَّهَا سَبْعٌ مِنَ الْمَثَانِي وَالْقُرْآنُ الْعَظِيمُ الَّذِي أُعْطِيتُهُ " . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ . وَفِي الْبَابِ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ وَفِيهِ عَنْ أَبِي سَعِيدِ بْنِ الْمُعَلَّى .
বর্ণনাকারী: আবূ হুরায়রা (রাঃ)
২৮৭৫. কুতায়বা (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন উবাই ইবন কাব রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর কাছে গেলেন। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ডাক দিলেনঃ হে উবাই! উবাই রাদিয়াল্লাহু আনহু তখন নামায পড়ছিলেন। তিনি ফিরে তাকালেন কিন্তু কোন জওয়াব দিলেন না। তবে তিনি সংক্ষিপ্তভাবে সালাত (নামায) আদায় করে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে গেলেন। বললেনঃ আসসালামু আলায়কা, ইয়া রাসূলাল্লাহ্! রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ ওয়া আলায়কাস্ সালাম, হে উবাই! আমি যখন তোমাকে ডাকলাম তখন সাড়া দিতে তোমাকে কিসে বাধা দিল? উবাই বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আমি তো সালাতে ছিলাম। তিনি বললেনঃ আমার কাছে যে, ওয়াহী (কুরআন) নাযিল হয়েছে তাতে কি পাওনি যে, রাসূল যখন তোমাদেরকে এমন কিছুর দিকে আহবান করেন যা তোমাদের প্রাণবন্ত করে তখন আল্লাহ্ ও রাসূলের আহবানে সাড়া দিবে? (আনফাল ৮ঃ ২৪)। উবাই বললেনঃ নিশ্চিয়ই, ইনশাআল্লাহ্ আমি পুর্নবার এমন করব না। তিনি বললেনঃ তুমি কি পছন্দ কর যে, আমি এমন একটি সূরা তোমাকে শিখিয়ে দেই তওরাত, ইনজীল, যাবূর এবং (এমনকি) কুরআনেও যার মত কোন সূরা নাযিল হয় নি? উবাই রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেনঃ হ্যাঁ, ইয়া রাসুলাল্লাহ। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ সালাতে কি পাঠ কর? উবাই রাদিয়াল্লাহু আনহু উম্মুল কুরআন সূরা ফাতিহা পাঠ করে শুনালেন। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ যে সত্তার হাতে আমার জান সেই সত্তার কসম! তওরাত, ইনজিল, যাবূর এবং ফুরকানেও এর মত কোন সূরা নাযিল হয়নি। এই সূরাটি হল বারবার পঠিত সাত আয়াত বিশিষ্ট সূরা এবং মহান কুরআন যা আমাকে প্রদান করা হয়েছে।* সহীহ, সহীহ আবু দাউদ ১৩১০, মিশকাত তাহকিক ছানী ২১৪২, তা’লীকুর রাগীব ২/২১৬,তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৮৭৫ [আল মাদানী প্রকাশনী] এ হাদীসটি হাসান-সহীহ। এ বিষয়ে আনাস ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে।
তাহকীক ও ব্যাখ্যা দেখুন
* এখানে সূরা হিজরের ৮৭ নং আয়াতের দিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে। আল্লাহ্ তা’আলা ইরশাদ করেন: আমি তো তোমাকে দিয়েছি সাত আয়াত যা বারবার আবৃত্ত হয় এবং দিয়েছি মহান কুরআন। সূরা ফাতিহায় যেহেতু গোটা কুরআনের সারবস্তু বিধৃত সেহেতু এটিকে মহান কুরআন (আল কুরআনুল-আযীম) নামে এখানে অভিমত করা হয়েছে।
