حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى الْقُطَعِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَى، عَنْ سَعِيدٍ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ رَجُلاً، مِنْ قَوْمِهِ صَادَ أَرْنَبًا أَوِ اثْنَيْنِ فَذَبَحَهُمَا بِمَرْوَةٍ فَتَعَلَّقَهُمَا حَتَّى لَقِيَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَسَأَلَهُ فَأَمَرَهُ بِأَكْلِهِمَا . قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ صَفْوَانَ وَرَافِعٍ وَعَدِيِّ بْنِ حَاتِمٍ . قَالَ أَبُو عِيسَى وَقَدْ رَخَّصَ بَعْضُ أَهْلِ الْعِلْمِ أَنْ يُذَكِّيَ بِمَرْوَةٍ وَلَمْ يَرَوْا بِأَكْلِ الأَرْنَبِ بَأْسًا وَهُوَ قَوْلُ أَكْثَرِ أَهْلِ الْعِلْمِ وَقَدْ كَرِهَ بَعْضُهُمْ أَكْلَ الأَرْنَبِ . وَقَدِ اخْتَلَفَ أَصْحَابُ الشَّعْبِيِّ فِي رِوَايَةِ هَذَا الْحَدِيثِ فَرَوَى دَاوُدُ بْنُ أَبِي هِنْدٍ عَنِ الشَّعْبِيِّ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ صَفْوَانَ . وَرَوَى عَاصِمٌ الأَحْوَلُ عَنِ الشَّعْبِيِّ عَنْ صَفْوَانَ بْنِ مُحَمَّدٍ أَوْ مُحَمَّدِ بْنِ صَفْوَانَ . وَمُحَمَّدُ بْنُ صَفْوَانَ أَصَحُّ . وَرَوَى جَابِرٌ الْجُعْفِيُّ عَنِ الشَّعْبِيِّ عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ نَحْوَ حَدِيثِ قَتَادَةَ عَنِ الشَّعْبِيِّ وَيُحْتَمَلُ أَنَّ رِوَايَةَ الشَّعْبِيِّ عَنْهُمَا . قَالَ مُحَمَّدٌ حَدِيثُ الشَّعْبِيِّ عَنْ جَابِرٍ غَيْرُ مَحْفُوظٍ .
বর্ণনাকারী: জাবির ইবনু আবদুল্লাহ আনসারী (রাঃ)
১৪৭৮। মুহাম্মদ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, তার কাওমের জনৈক ব্যক্তি একটি বা দুটি খরগোশ শিকার করেছিল। পরে তিনি একটি শ্বেত পাথর দিয়ে দুটোকে যবাহ করে লটকিয়ে রেখে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং এ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেন। তিনি তাকে সে দুটি থেকে খাওয়ার নির্দেশ দিলেন। সহীহ, ইবনু মাজাহ ৩১৭৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৪৭২ [আল মাদানী প্রকাশনী] এ বিষয়ে মুহাম্মদ ইবনু সাফওয়ান, রাফি’ ’আদী ইবনু হাতিম রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। কতক আলিম মর্মর পাথর দিয়ে যবাহ-এর অনুমতি দিয়েছেন এবং তারা খরগোশ খাওয়ায় কোন দোষ আছে বলে মনে করেন না। এ হল অধিকাংশ আলিমের অভিমত। কোন কোন আলিম খরগোশ খাওয়া অপছন্দ করেন। এ হাদীসটি বর্ণনার ক্ষেত্রে শা’বী (রহঃ) এর শাগরিদগণ মত বিরোধ করেছেন। দাউদ ইবনু আবূ হিন্দ এটিকে শা’বী (রহঃ) মুহাম্মদ ইবনু সাফওয়ান সূত্রে আর আসিম আহওয়াল (রহঃ) এটিকে শা’বী-সাফওয়ান ইবনু মুহাম্মদ বা মুহাম্মদ ইবনু সাফওয়ান রূপে রিওয়ায়াত করেছেন। তবে মুহাম্মদ ইবনু সাফওয়ানই অধিকতর সহীহ। জাবির জু’ফি এটিকে শা’বী-জাবির ইবনু আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে কাতাদা শা’বী সূত্রে বর্ণিত রিওয়ায়াতের অনুরূপ রিওয়ায়াত করেছেন। হতে পারে যে, শা’বী (রহঃ) উভয় থেকেই বর্ণনা করেছেন। মুহাম্মদ (রহঃ) বলেন, শা’বী-জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে বর্ণিত রিওয়ায়াতটি মাহফুজ নয়।
