حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ رَاشِدٍ الزَّوْفِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي مُرَّةَ الزَّوْفِيِّ، عَنْ خَارِجَةَ بْنِ حُذَافَةَ، أَنَّهُ قَالَ خَرَجَ عَلَيْنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ " إِنَّ اللَّهَ أَمَدَّكُمْ بِصَلاَةٍ هِيَ خَيْرٌ لَكُمْ مِنْ حُمْرِ النَّعَمِ الْوِتْرُ جَعَلَهُ اللَّهُ لَكُمْ فِيمَا بَيْنَ صَلاَةِ الْعِشَاءِ إِلَى أَنْ يَطْلُعَ الْفَجْرُ " . قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو وَبُرَيْدَةَ وَأَبِي بَصْرَةَ الْغِفَارِيِّ صَاحِبِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم . قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ خَارِجَةَ بْنِ حُذَافَةَ حَدِيثٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ . وَقَدْ وَهِمَ بَعْضُ الْمُحَدِّثِينَ فِي هَذَا الْحَدِيثِ فَقَالَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ رَاشِدٍ الزُّرَقِيِّ وَهُوَ وَهَمٌ فِي هَذَا . وَأَبُو بَصْرَةَ الْغِفَارِيُّ اسْمُهُ حُمَيْلُ بْنُ بَصْرَةَ وَقَالَ بَعْضُهُمْ جَمِيلُ بْنُ بَصْرَةَ وَلاَ يَصِحُّ . وَأَبُو بَصْرَةَ الْغِفَارِيُّ رَجُلٌ آخَرُ يَرْوِي عَنْ أَبِي ذَرٍّ وَهُوَ ابْنُ أَخِي أَبِي ذَرٍّ .
বর্ণনাকারী: খারিজাহ বিন হুযাফাহ (রাঃ)
৪৫২. কুতায়বা (রহঃ) ..... খারিজা ইবনু হুযাফা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেনঃ একবার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের কাছে বের হয়ে এসে ইরশাদ করলেনঃ আল্লাহ্ তা’আলা তোমাদের জন্য একটি সালাত (নামায/নামাজ) বাড়িয়ে দিয়েছেন। রক্ত বর্ণের বহু উট থেকেও তা তোমাদের জন্য কল্যাণকর। এই সালাতটি হল বিতর। এশার সালাত ও সুবহে সা’দিক উভয়ের মধ্যবর্তী সময়টিকে আল্লাহ্ তা’আলা এর জন্য তোমাদের ওয়াক্ত নির্ধারণ করে দিয়েছেন। - "এটা তোমাদের জন্য রক্ত বর্ণের বহু উট থেকেও তা তোমাদের জন্য কল্যাণকর" এই অংশ বাদে সহিহ, ইবনু মাজাহ ১১৬৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ [আল মাদানী প্রকাশনী] এই বিষয়ে আবূ হুরায়রা, আবদুল্লাহ ইবনু আমর, বুরায়দা, আবূ বাসরা গিফারী রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ খারিজা ইবনু হুযাফা বর্ণিত হাদীসটি গারীব। ইয়াযীদ ইবনু আবী হাবীবের সূত্র ছাড়া এটা সম্পর্কে আমাদের জানা নেই। এই হদীসটির বেলায় কোন কোন হাদীসবেত্তা বিভ্রান্তির সম্মুখীন হয়েছেন। রাবী আবদুল্লাহ ইবনু রাশিদ যাওফীকে আয্-যুরাকীরূপে উল্লেখ করেছেন। অথচ তা ঠিক নয়। আবূ বাসরা আল-গিফারী হলেন জুমায়ল ইবনু বাসরা; কেউ কেউ তাঁকে জামীল ইবনু বাসরা বলেন, যা সঠিক নয়। আর আবূ বাসরা আল-গিফারী হলেন আবূ যর গিফারী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে সর্বশেষ বর্ণনাকারী, ইনি আবূ যর গিফারী রাদিয়াল্লাহু আনহু এর ভ্রাতুষ্পুত্র।
