حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، قَالَ أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ إِذَا اغْتَسَلَ مِنَ الْجَنَابَةِ بَدَأَ فَغَسَلَ يَدَيْهِ، ثُمَّ يَتَوَضَّأُ كَمَا يَتَوَضَّأُ لِلصَّلاَةِ، ثُمَّ يُدْخِلُ أَصَابِعَهُ فِي الْمَاءِ، فَيُخَلِّلُ بِهَا أُصُولَ شَعَرِهِ ثُمَّ يَصُبُّ عَلَى رَأْسِهِ ثَلاَثَ غُرَفٍ بِيَدَيْهِ، ثُمَّ يُفِيضُ الْمَاءَ عَلَى جِلْدِهِ كُلِّهِ.
বর্ণনাকারী: আয়িশা বিনত আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ)
এ প্রসঙ্গে আল্লাহ্ তা’আলার বাণীঃ “যদি তোমরা অপবিত্র থাক তবে বিশেষভাবে পবিত্র হবে। তোমরা যদি পীড়িত হও বা সফরে থাক বা তোমাদের কেউ শৌচগার থেকে আসে অথবা তোমরা স্ত্রীর সাথে সংগত হও এবং পানি না পাও তবে পবিত্র মাটি দিয়ে তায়াম্মুম করবে এবং তা তোমাদের মুখে ও হাতে বুলাবে। আল্লাহ্ তোমাদের কষ্ট দিতে চান না; বরং তিনি তোমাদের পবিত্র করতে চান যাতে তোমরা শোকর আদায় কর।” (৫ : ৬) এবং আল্লাহ্র বাণীঃ “হে মু’মিনগণ! তোমরা নেশাগ্রস্ত অবস্থায় সালাতের ধারেও যেয়োনা, যতক্ষন না তোমরা যা বল তা বুঝতে পার, আর যদি তোমরা পথবাহী না হও তবে অপবিত্র অবস্থায়ও না, যতক্ষন না তোমরা গোসল কর। আর তোমরা যদি পীড়িত হও অথবা সফরে থাক অথবা তোমাদের কেউ যদি শৌচাগার থেকে আসে অথবা স্ত্রীসংগম করে, আর পানি না পায়, তাহলে পবিত্র মাটি দিয়ে তায়াম্মুম কর, এবং তা মুখ ও হাতে বুলাবে। আল্লাহ্ পাপ মোচনকারী ও ক্ষমাশীল। (৪ : ৪৩) ২৪৬। আবদুল্লাহ ইবনু ইউসুফ (রহঃ) .... ’আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন জানবাতের গোসল করতেন, তখন প্রথমে তাঁর হাত দু’টো ধুয়ে নিতেন। তারপর সালাত (নামায/নামাজ)-এর উযূর মত উযূ (ওজু/অজু/অযু) করতেন। তারপর তাঁর আঙ্গুলগুলো পানিতে ডুবিয়ে নিয়ে চুলের গোড়া খিলাল করতেন। তারপর তাঁর উভয় হাতের তিন আঁজলা পানি মাথায় ঢালতেন। তারপর তাঁর সারা দেহের উপর পানি পৌঁছিয়ে দিতেন।
