حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ، قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ عَبْدِ الْعَزِيزِ، أَخَّرَ الصَّلاَةَ يَوْمًا، فَدَخَلَ عَلَيْهِ عُرْوَةُ بْنُ الزُّبَيْرِ، فَأَخْبَرَهُ أَنَّ الْمُغِيرَةَ بْنَ شُعْبَةَ أَخَّرَ الصَّلاَةَ يَوْمًا وَهْوَ بِالْعِرَاقِ، فَدَخَلَ عَلَيْهِ أَبُو مَسْعُودٍ الأَنْصَارِيُّ فَقَالَ مَا هَذَا يَا مُغِيرَةُ أَلَيْسَ قَدْ عَلِمْتَ أَنَّ جِبْرِيلَ نَزَلَ فَصَلَّى، فَصَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ثُمَّ صَلَّى فَصَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ثُمَّ صَلَّى فَصَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ثُمَّ صَلَّى فَصَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ثُمَّ صَلَّى فَصَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ثُمَّ قَالَ " بِهَذَا أُمِرْتُ ". فَقَالَ عُمَرُ لِعُرْوَةَ اعْلَمْ مَا تُحَدِّثُ أَوَإِنَّ جِبْرِيلَ هُوَ أَقَامَ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَقْتَ الصَّلاَةِ. قَالَ عُرْوَةُ كَذَلِكَ كَانَ بَشِيرُ بْنُ أَبِي مَسْعُودٍ يُحَدِّثُ عَنْ أَبِيهِ. قَالَ عُرْوَةُ وَلَقَدْ حَدَّثَتْنِي عَائِشَةُ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يُصَلِّي الْعَصْرَ، وَالشَّمْسُ فِي حُجْرَتِهَا قَبْلَ أَنْ تَظْهَرَ.
বর্ণনাকারী: ইবনু শিহাব আয-যুহরী (রহঃ)
وَقَوْلِهِ: (إِنَّ الصَّلاَةَ كَانَتْ عَلَى الْمُؤْمِنِينَ كِتَابًا مَوْقُوتًا) وَقَّتَهُ عَلَيْهِمْ আল্লাহ্ তা’আলার বাণীঃ নিশ্চয়ই সালাত মু’মিনদের উপর নির্ধারত ফরয। আয়াতে ব্যাবহৃত (مَوْقُوتًا) মাওকুতান শব্দটি (مُؤَقَّتاً) মুয়াক্কাতান এর অর্থে ব্যবহৃত অর্থাৎ নির্ধারিত সময়ে ফরয — যা আল্লাহ্ তায়ালা তাদের জন্য নির্ধারিত করে দিয়েছেন। ৪৯৭। আবদুল্লাহ্ ইবনু মাসলামা (রহঃ) ..... ইবনু শিহাব (রহঃ) থেকে বর্ণিত, উমর ইবনু আবদুল আযীয (রহঃ) একদিন কোন এক সালাত (নামায/নামাজ) আদায়ে বিলম্ব করলেন। তখন উরওয়া ইবনু যুবাইর (রাঃ) তাঁর কাছে গেলেন এবং তাঁর কাছে বর্ণনা করলেন যে, ইরাকে অবস্থানকালে মুগীরা ইবনু শু’বা (রাঃ) একদিন এক সালাত আদায়ে বিলম্ব করেছিলেন। ফলে আবূ মাসঊদ আনসারী (রাঃ) তাঁর নিকট গিয়ে বললেন, হে মুগীরা! একি? তুমি কি অবগত নও যে, জিবরীল (আঃ) অবতরণ করে সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করলেন, আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামও সালাত আদায় করলেন। আবার তিনি সালাত আদায় করলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামও সালাত আদায় করলেন। পুনরায় তিনি সালাত আদায় করলেন এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামও সালাত আদায় করলেন। আবার তিনি সালাত আদায় করলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামও সালাত আদায় করলেন। পুনরায় তিনি সালাত আদায় করলেন এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামও সালাত আদায় করলেন। তারপর জিবরীল (আঃ) বললেন, এরই জন্য আমি আদিষ্ট হয়েছি।* উমর ইবনু আবদুল আযীয) (রহঃ) উরওয়া (রহঃ)-কে বললেন, “তুমি যা রিওয়ায়াত করছ তা একটু ভেবে দেখ। জিবরীলই কি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জন্য সালাত এর ওয়াক্ত নির্ধারণ করে দিয়েছিলেন?” উরওয়া (রহঃ) বললেন, বাশীর ইবনু আবূ মাসউদ (রহঃ) তার পিতা থেকে এরূপই বর্ণনা করতেন। উরওয়া (রহঃ) বলেনঃ অবশ্য আয়িশা (রাঃ) আমার কাছে বর্ননা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমন মুহূর্তে আসরের সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করতেন যে, সূর্যেরশ্মি তখনও তাঁর হুজরার মধ্যে বিরাজমান থাকত। তবে তা উপরের দিকে উঠে যাওয়ার আগেই।
তাহকীক ও ব্যাখ্যা দেখুন
* অর্থাৎ যে সময়ে সালাত আদায় করা হয়েছে, ঠিক সে সময়ে সে সালাত আদায় করার জন্য আমি আদিষ্ট হয়েছি।
